বিবাহ ও যৌন জীবন নিয়ে যা বলে ইসলাম

যৌন টিপস-allhealthtipsbd.com

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এক হাদিসে বলেছেন, ‘যে পূত পবিত্র অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করতে চায় সে যেনো স্বাধীনা মেয়েদের বিয়ে করে।’

من اراد ان يلقي الله طاهرا مطهرا فليتزوج الحرائر (مشكوة كتاب النكاح
‘যে পূত পবিত্র অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করতে চায় সে যেনো স্বাধীনা মেয়েদের বিয়ে করে।’

‘বিয়েশাদি চারিত্রিক পবিত্রতা ও শুচিশুভ্রতা রক্ষার অন্যতম মাধ্যম’ কথাটি হাদিসে বড় চমৎকারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। হাদিসের শব্দের প্রতি লক্ষ্য করলে বোঝা যায়—তাতে চারিত্রিক পবিত্রতা যেমন অর্জন হয়, অন্যান্য গুনাহ থেকেও বেঁচে থাকা যায়। সর্বশেষ হেদায়েত পেয়ে নাজাত পাওয়া যায়। অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, যারা সময়মত বিয়ে করে না তারা বিভিন্ন রকম পাপাচারে লিপ্ত হয়। ইচ্ছায় হোক চাই অনিচ্ছায়।

বিবাহিতদের যেহেতু যৌন তাড়না মিটাবার বৈধ উপায় আছে তাই এসবের দিকে তাদের আকর্ষণ থাকে কম। পক্ষান্তরে যারা বিয়ে করে না, আবার পূত পবিত্র থাকতে চায়; তাদের জীবনে দেখা দেয় বড় অস্থিরতা, বড় টানাপোড়েন। তারা কখন কী করে ফেলে বলা যায় না।

এক হাদিসে বিয়েশাদিকে বলা হয়েছে ঈমানের অর্ধেক।

اذا تزوج العبد فقد استكمل نصف الدين (مشكوة كتاب النكاح

‘কেউ বিয়ে করলে তার অর্ধেক ঈমান পূর্ণ হয়ে যায়।’

একটু ভেবে দেখলে বোঝা যায়, গুনাহের বড় সম্পর্ক হলো যৌনতার সাথে। আর নিজেকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করার পর পাপাচার ও যৌনতার আশঙ্কা অনেকাংশে কমে যায়।

ইসলামী যৌন আইনশাস্ত্র বা যৌন বিষয়ক ফিকহা বলতে সেইসব ইসলামি অনুশাসন বোঝায় যেগুলো দ্বারা মুসলিমদের যৌনাচার নিয়ন্ত্রিত হবে। এইসব অণুশাসন বহির্ভুত সকল প্রকার যৌনাচার ইসলামী মতে নিষিদ্ধ বা হারাম মানব জীবনের যৌন চাহিদা ইসলাম কর্তৃক স্বীকৃত কিন্তু যৌনাচারের পন্থা সম্পর্কে রয়েছে অনুশাসন।মানুষের বিবিধ যৌনাচার অনুমোদনযোগ্য কি-না তা দুটি বিষয় থেকে অনুমানযোগ্য।

প্রথমত: যৌনাচারের মূল উদ্দেশ্য বংশবৃদ্ধি এবং

দ্বিতীয়ত: নারী ও পুরুষ কেবল রীতিসিদ্ধ উপায়ে বিয়ের মাধ্যমে যৌনাচারের প্রাধিকার অর্জন করে। ইসলামে যৌনতা বিষয়ক নিয়মাবলি ইসলামী প্রধান ধর্মগ্রন্থ কুরআন  ইসলামের নবী মুহাম্মাদ  (সঃ)-এর বাণী ও কর্ম যা হাদিস নামে পরিচিত

বিবাহবহির্ভূত যৌন মিলনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রবল হলেও স্বয়ং যৌন কর্মকাণ্ড ইসলামে কোন নিষিদ্ধ বিষয় নয়। ভালোবাসা ও নৈকট্যের মহৎ উপকারিতা হিসেবে কুরআন ও হাদিস অণুমোদিত যৌন সম্পর্কসমূহ বিশদভাবে আলোচিত হয়েছে।

এমনকি বিয়ের পরেও কিছু নিষেধাজ্ঞা রয়েছেঃ কোন পুরুষ তার স্ত্রীর রজঃস্রাবকালীন সময়ে এবং সন্তানপ্রসবের পর একটি নির্ধারিত সময়কালে তার সাথে সঙ্গম করতে পারবে না।

পায়ু পথে লিংগপ্রবেশ তার জন্য পাপ হিসেবে বিবেচিত হবে। গর্ভপাত(গর্ভবতী নারীর স্বাস্থ্যঝুঁকি ব্যতিরেকে) এবং ্সমকামিতা মত কর্মকাণ্ড ও আচরণও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

About নওরীন জাহান

View all posts by নওরীন জাহান →